1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. zahangiralam353@gmail.com : Channel Inani :
শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঈদগাঁও প্রেসক্লাবের উদ্যোগে মাস্ক বিতরণ ও জনসচেতনতা সৃষ্টি রামুতে ছাত্রলীগের উদ্যোগে অসহায় মানুষদের মাঝে ইফতার বিতরণ সাংবাদিক মান্নানের ছেলের ১ম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল গণমাধ্যম স্বীকৃতির দাবীতে মহেশখালীতে ‘বিএমএসএফ এর স্মারকলিপি মহেশখালী  সোনাদিয়া দ্বীপে ডাকাতির প্রস্তুতী কালে স্থানীয় জেলেদের হাতে ৬জলদস্যু আটক কুতুবদিয়ায় পালিত হচ্ছে কঠোর লকডাউন মোড়ে-মোড়ে পুলিশের কড়া নজরদারি মহেশখালী পৌর মেয়র মকছুদ মিয়া’র নিজস্ব তহবিল হতে পবিত্র রমজানের ইফতার ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ বিএমএসএফ” ঈদগাঁও থানা শাখার উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি কোরআনের আয়াত অপসারণের রিট’বাতিল করল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট রামুর ঈদগড়ে পুলিশ না থাকায় চেয়ারম্যান ভূট্টোর নেতৃত্বে চলছে ডাকাত প্রতিরোধে এলাকাবাসীর পাহারা

আমাকে গ্রেপ্তার করুন এম গফুর উদ্দিন চেয়ারম্যান

  • আপডেট করা হয়েছে বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২০
  • ৩৩৫ বার পড়া হয়েছে

 

বর্তমানে রোহিঙ্গারা যে ভাবে আশ্রয় ও পশ্রয় পাচ্ছে এতে আমি অত্যান্ত আতঙ্কিত।এই মহাদুর্যোগ মহামারী করোনা ভাইরাসে বাংলাদেশের প্রায় ৫০ টি জেলা সরকার লকডাউন করেছেন।কারন সিকিৎসা বিজ্ঞানীদের পরামর্শ করোনা থেকে রক্ষা পাওয়ার এক মাত্র উপায় সমাজিক দুরুত্ব বজায়রাখা।এজন্য সরকার ও আইন শৃঙ্খলা বাহীনির অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে স্থানিয়দেরকে সমাজিক দুরুত্বে রাখতে পারলেও একজন রোহিঙ্গাকেও সমাজিক দুরুত্ব বজায় রাখার ব্যাবস্থা করতে পারেনাই।রোহিঙ্গারা প্রতি নিয়ত রাত ২/৩ টার সময় দলে দলে কক্সবাজার টেকনাফ সড়কে অনর্থক চলাচল করে।কোন কাজ কর্ম ছাড়া চলাচল তাদের কোন হীন উদ্দেশ্য না থাকলে কেন তারা রাত দিন বীরদর্পে চলাচল করবে।তারা এমন হিংশ্র জাতি স্থানিয়দের বাড়ী ভিটি থেকে ক্ষেত খামারের বেড়া ডিঙ্গিয়ে অথবা স্থানিয়দের ধান ক্ষেতের মাঝখানদিয়ে চলাচল করে।বাড়ী ও ধান ক্ষেতের মালিক নিষেধ করলে সাথে সাথে বলবে স্থানিয়রা নাকি রোহিঙ্গার টাকা নিয়ে চলে।তারা এও বলে আমাদের সরকার নাকি রোহিঙ্গাদেরকে মাঠির নিচে সাড়ে সাতশত ফুট পর্যন্ত বিক্রি করেদিয়েছেন।প্রকৃত পক্ষে রোহিঙ্গারা যেমন হিংশ্র তেমন অকৃতজ্ঞ।তেদের মত নাফরমান পৃথিবীতে অন্য কোন জাতি নাই।এর পরও কিছু কিছু সরকারী কর্তাদের সাথে দহরম মহরম সম্পর্কের কারন তা বোঝা বড়ই সন্ধেহ জনক।সম্প্রতি ১৪ নং অস্থায়ী ক্যাম্পের মাঝি স্হানীয় সাধারনকে প্রকাশ্যে সরকারী গোয়েন্ধা বাহীনির সামনে হুমকি দিবে এবং আরো বলবে তোমাদের চেয়ারম্যানকে তুলেনিয়ে ঘোমকরে ফেলবে তার বিচার চাইলে ক্যাম্প ইন্সার্জ মহোদয় বলবে UNHCR রাগ করবে তার কারনে বিচার হরা সম্ভব হচ্ছেনা।এতে আমার সন্ধেহ হচ্ছে যে কোন মুহুর্তে হত্যাকরতে পারে সে বিচার ও প্রশাসনের কাছে পাবনা।এখানে বলা বাহুল্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে সাধারন রোহিঙ্গা বাংলাদেশের একজন প্রথম শ্রেনীর কর্ম কর্তার চাইতে অনেক বড়।কিছুদিন আগে ৭ নং ক্যাম্পের সহকারী সি আই সির বিরুদ্ধে গনমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হওয়া ৭ ঘন্টার মধ্যে সহকারী ক্যাম্প ইন্সার্জকে প্রত্যাহার করেন সরকার।আর একজন রোহিঙ্গা স্থানিয় হাজার হাজার জন সাধারন সহ জন প্রতিনিধিকে তুলে নিয়ে যাবে এবং ঘোম করবে বলে প্রকাশ্যে হুমকি দিবে তার কোন বিচার হবেনা।আরো ক্যাম্প ইন্সার্জ সান্তনার বানিদিয়ে বলবে UNHCR এর কারনে ব্যাবস্থা নিতে পারছেনা।এই দেশ যেখানে UNHCR পরিচালনা করে সেখানে রোহঙ্গা কর্তৃক খুন হলেও কোন বিচার পাওয়ার সম্ভাবনা নাই।সেটা আমি উপলব্দি করেছি অনেক আগে থেকে।রোহিঙ্গা আসার সময় আমি পবিত্র হজ্ব পালন করার জন্য মক্কাশরিফ গিয়ে ছিলাম।আমি যাওয়ার সময় আমার ব্যাক্তি মালিকানাধীন ২ একর ৬০ শতাংশ জমিতে ধান রোপন কর গিয়েছিলাম।উক্ত জমিতে আমি এসে দেখি সব রোহিঙ্গার ঘর।সে থেকে এই পর্যন্ত উক্ত জমি হতে কোন রোহিঙ্গা সরাইতে পারিনাই।আগের RRRC মহোদয়ের সাথে কথা বলা যেত একটু সান্তনা পেতাম বর্তমানের RRRC মহোদয়ের কাছে কথা বলাও সম্ভব নয়।এতে আমি সার্বিক বিবেচনায় সিদ্ধা নিয়েছি জেলে থাকলে নুন্যতম প্রানে বাচার সম্ভাবনা আছে আর মারা গেলেও সাবাবিক মারা যাব আর এইখানে থাকলে কিছু কুচক্রী মহলের ইন্দনে এবং কিছু অর্থ লোভী আমলাদের সহায়তায় রোহিঙ্গারা আমাকে প্রানে মেরে ফেলার প্রচুর সম্ভাবনা আছে তাই আমার আকুল আবেদন আমাকে গ্রেপ্তার করে জেলে রাখুন।কারন রোহিঙ্গার বিচার করা সম্ভব নয়।রোহিঙ্গা কারো কারো জন্য সর্নের হরিন এই সর্নের হরিনের দুর্নাম হবে।২০১৮ ইংসনে ও স্থানিয় ফকির আহাম্মদ ও তার দুই ছেলেকে মেরে রোহিঙ্গারা হাড্ডি ভেঙ্গে দেওয়ার পর ও মামলা করেছে আমি সহ স্থানিয়দের বিরুদ্ধে।কারাগারের প্রার্থনা করতামনা যদি বাংলাদেশের মত অন্যকোন দেশে যাওয়া যেত।আজ হয়তো আমার কান্না কেউ শুনছেন না।আমি আড়াই বছর আগে যে কথা গুলো বলেছিলাম তা আজ অক্ষরে অক্ষরে দেখাযাচ্ছে।এই রোহিঙ্গা এখনো শরনার্থী হিসাবে বাংলাদেশ সরকার স্বূকৃতি দেয়নাই।যখন শরনার্থী হিসাবে স্বীকৃতি দিবে তখন শুধু উখিয়া টেকনাফ নয়।সারা বাংলাদেশের মানুষ অস্তির হয়ে যাবে।তখন বুজবেন যারা রোহিঙ্গার টাকায় লালায়িত তারা।সেদিন আর বেশী দুরে নয়।যদি কর্তব্য রত কর্ম কর্তাদের ইচ্ছা হয় এখনো সময় আছে রোহিঙ্গা সামলান।নয়তো একদিন সারা বাংলাদেশের জনগনের কান্না বিশ্ব বাসি দেখবে।মানবতার দোহায় আর কত ?মানবতা এমন নয় আমাদের দেশ ও অস্তিত্ব সহ অধিকার বিলিয়ে দিতে হবে।এখন রোহিঙ্গার কারনে স্থানিয় ছেলেরা পড়া লেখা থেকে বঞ্চিত।অধিকার থেকে বঞ্চিত জন্ম নিবন্ধনের কারনে স্কুলে ভর্তি হতে পারছেনা।এর থেকে দুঃখজনক আর কি হতে পারে ? তারপরও শিক্ষিত সমাজের কোন নজরে আসছেনা।বর্তমানে নতুন জামাতা শাশুড় বাড়ী বেড়াইতে আসলে আমরা উক্তঘর লকডাউন করতে বাদ্যহই কিন্তু রোহিঙ্গারা কোথাই থেকে আসে তারকোন হদিস কি কেউ রাখে ? তারা বীরদর্পে বেড়াবে প্রশাসন তাদেরকে বেড়ানো সুজুগ দিবে।

এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী
চেয়ারম্যান
৫ নং পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদ
উখিয়া -কক্সবাজার

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: Nagorik It.Com