1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. zahangiralam353@gmail.com : Channel Inani :
বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ১০:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গণমাধ্যম স্বীকৃতির দাবীতে মহেশখালীতে ‘বিএমএসএফ এর স্মারকলিপি মহেশখালী  সোনাদিয়া দ্বীপে ডাকাতির প্রস্তুতী কালে স্থানীয় জেলেদের হাতে ৬জলদস্যু আটক কুতুবদিয়ায় পালিত হচ্ছে কঠোর লকডাউন মোড়ে-মোড়ে পুলিশের কড়া নজরদারি মহেশখালী পৌর মেয়র মকছুদ মিয়া’র নিজস্ব তহবিল হতে পবিত্র রমজানের ইফতার ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ বিএমএসএফ” ঈদগাঁও থানা শাখার উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি কোরআনের আয়াত অপসারণের রিট’বাতিল করল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট রামুর ঈদগড়ে পুলিশ না থাকায় চেয়ারম্যান ভূট্টোর নেতৃত্বে চলছে ডাকাত প্রতিরোধে এলাকাবাসীর পাহারা নাসিরনগরের ইউএনও হলেন কক্সবাজারের পুত্রবধূ হালিমা মহেশখালী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘মানবতার ঘর’ শুভ উদ্বোধন ঘুমধুম সীমান্তে পুলিশের অভিযানঃ ২৩০ মিনি ক্যান বিয়ার সহ আটক-২

স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত বাস্তবায়ন করতে মাঠে নেমেছে উখিয়া উপজেলা প্রশাসন৷

  • আপডেট করা হয়েছে মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ, ২০২১
  • ৬৯ বার পড়া হয়েছে

রাশেদুল ইসলাম মাহমুদ:

করোনা পরিস্থিতিতে সরকারের জারিকৃত গণবিজ্ঞপ্তি কার্যকর ও সর্বস্থরে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত বাস্তবায়ন করতে মাঠে নেমেছে উখিয়া উপজেলা প্রশাসন৷

মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) সরকারের জারিকৃত গণবিজ্ঞপ্তি বাস্তবায়ন করতে জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ এর নির্দেশে
উখিয়া বাজার, কোটবাজার, ইনানী বীচসহ উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে পৃথক অভিযান পরিচালিত হয়৷

করোনা পরিস্থিতি নিয়ে জারিকৃত গণবিজ্ঞপ্তি লিফলেট আকারে জনসাধারণের মধ্যে বিলি এবং সর্ব সাধারণকে সতর্ক করা হয়৷

অভিযান নেতৃত্ব দেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নিজাম উদ্দিন আহমেদ।

স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দিক নির্দেশনায় সারাদিন মাঠে ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আমিমুল এহসান খান, বীচ কর্মী, পুলিশ সদস্যসহ সংশ্লিষ্টগণ৷
এদিকে সারাদেশে হঠাৎ করোনা সংক্রমনের হার বেড়ে যাওয়ায় সোমবার ২৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ১৮ দফার গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে৷

পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত এটা আগামী দুই সপ্তাহ এই নির্দেশনা মানতে হবে৷

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমনের বিদ্যমান পরিস্থিতি সরকার নিন্মলিখিত নির্দেশনাসমুহ গ্রহন করেছে৷

নির্দেশনাগুলো হলো:
১. সকল ধরনের জনসমাগম (সামাজিক/রাজনৈতিক/ধর্মীয়/অন্যান্য) সীমিত করতে হবে। উচ্চ সংক্রমণযুক্ত এলাকায় সকল ধরনের জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হলো। বিয়ে/জন্মদিনসহ যে কোনো সামাজিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে জনসমাগম নিরুৎসাহিত করতে হবে। ২. মসজিদসহ সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

৩. পর্যটন/বিনোদনকেন্দ্র সিনেমা হল/থিয়েটার হলে জনসমাগম সীমিত করতে হবে এবং সব ধরনের মেলা আয়োজন নিরুৎসাহিত করতে হবে। ৪. গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং ধারণক্ষমতার ৫০ ভাগের অধিক যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। ৫. সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাতে আন্তঃজেলা যান চলাচল সীমিত করতে হবে, প্রয়োজনে বন্ধ রাখতে হবে। ৬. বিদেশ হতে আগত যাত্রীদের ১৪ দিন পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক (হোটেলে নিজ খরচে) কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে। ৭. নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী খোলা/উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি পরিপালনপূর্বক ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবস্থা করতে হবে, ওষুধের দোকানে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে। ৮. স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানসমূহ মাস্ক পরিধানসহ যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে। ৯. শপিংমলে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েরই যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।
১০. সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাদ্রাসা, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়) ও কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। ১১. অপ্রয়োজনীয় ঘোরাফেরা/আড্ডা বন্ধ করতে হবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাত ১০টার পর বাইরে বের হওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
১২. প্রয়োজনে বাইরে গেলে মাক্ক পরিধানসহ সকল ধরনের স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে। মাস্ক পরিধান না করলে কিংবা স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ১৩. করোনায় আক্রান্ত/করোনার লক্ষণযুক্ত ব্যক্তির আইসোলেশন নিশ্চিত করতে হবে। করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা অন্যদেরও কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে। ১৪. জরুরি সেবায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান ছাড়া সকল সরকারি-বেসরকারি অফিস! প্রতিষ্ঠান শিল্পকারখানাসমূহ ৫০ ভাগ জনবল দ্বারা পরিচালনা করতে হবে। অন্তঃসত্ত্বা/অসুস্থ/বয়স পঞ্চান্নোর্ধ্ব কর্মকর্তা/কর্মচারীর বাড়িতে অবস্থান করে কর্মসম্পাদনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ১৫. সভা, সেমিনার, প্রশিক্ষণ, কর্মশালা যথাসম্ভব অনলাইনে আয়োজনের ব্যবস্থা করতে হবে। ১৬. সশরীরে উপস্থিত হতে হয় এমন যে কোন ধরনের গণপরীক্ষার ক্ষেত্রে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে। ১৭. হোটেল-রেস্তোরাঁসমূহে ধারণক্ষমতার ৫০ ভাগের অধিক মানুষের প্রবেশ বারিত করতে হবে;
১৮. কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ এবং অবস্থানকালীন সর্বদা বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধানসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: Nagorik It.Com