1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. zahangiralam353@gmail.com : Channel Inani :
শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৫:৩৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কক্সবাজার জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের যাত্রা শুরু রামুর ঈদগড়ে পুলিশ না থাকায় আতঙ্কে দিন কাটছে জনসাধারণের মামলার বাদী হলেই রেহাই পেয়ে যাবেন এ রকমটি ভাবার কোন কারণ নেই। মোঃ হেলাল উদ্দিন মহেশখালীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে বাই- সাইকেল শিক্ষাবৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিক পরিবেশকর্মী এনামুল কবিরের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে বাপা’র নিন্দা কক্সবাজারের বিশিষ্ট নারী উদ্যোক্তা ডেইজি’র লাভ বাংলাদেশে অনুষ্ঠানিক যোগদান মহেশখালীতে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ শিক্ষকসহ আটক-২ পর্নোগ্রাফি ও ধর্ষণ মামালর ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী চকরিয়ার মাহিন রামু থানা পুলিশের হাতে আটক। পাহাড়তলীতে স্বামীকে বেধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণবহু অপকর্মের নুর মোহাম্মদকে আটকে এলাকায় স্বস্তি কক্সবাজার প্রেস ক্লাবকে ১০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন মেয়র মুজিবুর রহমান
শিরোনাম
কক্সবাজার জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের যাত্রা শুরু রামুর ঈদগড়ে পুলিশ না থাকায় আতঙ্কে দিন কাটছে জনসাধারণের মামলার বাদী হলেই রেহাই পেয়ে যাবেন এ রকমটি ভাবার কোন কারণ নেই। মোঃ হেলাল উদ্দিন মহেশখালীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে বাই- সাইকেল শিক্ষাবৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিক পরিবেশকর্মী এনামুল কবিরের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে বাপা’র নিন্দা কক্সবাজারের বিশিষ্ট নারী উদ্যোক্তা ডেইজি’র লাভ বাংলাদেশে অনুষ্ঠানিক যোগদান মহেশখালীতে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ শিক্ষকসহ আটক-২ পর্নোগ্রাফি ও ধর্ষণ মামালর ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী চকরিয়ার মাহিন রামু থানা পুলিশের হাতে আটক। পাহাড়তলীতে স্বামীকে বেধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণবহু অপকর্মের নুর মোহাম্মদকে আটকে এলাকায় স্বস্তি কক্সবাজার প্রেস ক্লাবকে ১০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন মেয়র মুজিবুর রহমান

কক্সবাজার মধুমাসে রসালো ফলের সমাহার,স্বাদ নিতে ফলের দোকানে ভীড়

  • আপডেট করা হয়েছে শনিবার, ২৯ মে, ২০২১
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

 

জাহাঙ্গীর আলম শামস:

জৈষ্ঠ মাসের খরতাপে মানুষের জীবন দূর্বিসহ হলেও এই তাপেই মৈাসুমী ফল আম, কাঁঠাল, জাম, লিচু পেঁকে মধুর গন্ধে পরিপূর্ন। তাই এ মাসকে বলা হয় মধুমাস। পঞ্জিকায় জ্যৈষ্ঠের সবে শুরু হলেও মধুমাসের সুমিষ্ট ও সুস্বাদু ঘ্রানে মৌ মৌ করছে ফলের মার্কেটের আশেপাশে। মধুমাসের সুমিষ্ট ও সুস্বাদ নানা ফলে ভরে উঠেছে কক্সবাজার ফলের আড়ৎ থেকে বাজারগুলো। কেউ কেউ রসনা তৃপ্ত করতে কেউ আবার ঐতিহ্যকে স্মরণ করে প্রিয়জনের বাসায় থলে ভর্তি ফল কিনে পাঠাতে শুরু করেছে। কিন্ত দামের আস্ফালনে নিম্ন আয়ের মানুষেদের জন্য যেন দর্শনেই শান্তি। তবুও পরিবার পরিজনকে নিয়ে মৌসুমী ফলের স্বাদ নিতে ফলের দোকানগুলোতে হভিড় জমাছে উচ্চবিত্ত ,উচ্চ মধ্যবিত্ত শ্রেনীর লোকজন।

শহরের প্রত্যেকটি বাজার বাস স্ট্যান্ডসহ অলিতে গলিতে বিভিন্ন ফলের দোকানগুলোতে এখন মধুমাসের রসালো ফল লিচু, আম ও কাঁঠালে,কালোজাম,তালের শাষ ভরপুর। দোকানগুলোতে থরে থরে সাজানো দেশি ফল পেঁপে, কলা, বেল ও তরমুজও হাতছানি দিচ্ছে উপজেলার মানুষকে।

বৈশাখ মাসজুড়ে তরমুজ আর বাঙ্গির বাজার ছিলো জমজমাট। যা এখনও চলমান। তার সাথে এখন যোগ হয়েছে লিচু,কাঁঠাল ও পাকা আম। সবুজে ঢাকা ভেতরে লাল মিষ্টি প্রতিটি তরমুজ এবছর কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এবছর।যার দাম দাড়াচ্ছে আকার ভেদে সাড়ে ৩শ থেকে সাড়ে ৪শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাঙ্গি আকার অনুসারে প্রতিটি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ১৫০ টাকা করে।

ঘুমগাছতলা ফলের দোকানগুলোতে প্রতিদিন গড়ে তরমুজ ও বাঙ্গি বিক্রি হচ্ছে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকার। ব্যবসায়ীরা বলছে করোনা না থাকলে এর দ্বিগুণ বিক্রি করতে পারতো তারা।

এ দিকে তরমুজ আর বাঙ্গির শেষ হতে না হতে বাজারে ভরে উঠেছে রসালো ফল লিচু,পাকা আম আর কাঁঠালে। পুরো জেলায় ফলের দোকান কিংবা ফুটপাতে প্রতি ১’শ লিচু বিক্রি হচ্ছে প্রতি ২৫০টাকা থেকে ৪০০ টাকা করে। প্রতি কেজি পাকা আম বিক্রি হচ্ছে ৯০টাকা থেকে ২০০ টাকা দরে। কিন্তু করোনায় এবারের ফল বিক্রি নিয়ে শঙ্কিত ফল ব্যবসায়ীরা।তারা গতবারের চেয়ে এবার ফলের দাম কমিয়ে ও তেমন বিক্রি করতে পারছে না।

বাজারঘাটা এলাকার ফল ব্যবসায়ী নুরুল আমীন জানান, ফলতো আসতেছে কিন্তু বিক্রি নিয়ে শঙ্কায় আছি। করোনায় তো মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানোই দায় সেখানে ফল তো শৌখিনতা ছাড়া আর কিছু না। তবুও অল্প অল্প করে বাজারে ছাড়ছি। লাভের আশা ছেড়ে দিছি।

মধু মাসের ফল কিনতে আসা রফিকুল আলম বলেন সব ফলের দামই বেশি তারপরও কিনতে হবে কারণ মেয়ের শশুর বাড়িতে ফল পাঠাতে হবে।

এ দিকে খুব কম পরিমাণেই বাজারে উঠেছে বাঙালির জাতীয় ফল কাঁঠাল। হাতে গোনা কয়েকটা দোকান ছাড়া তেমন চোখে পড়েনি। পরিমাণে কম হলেও দামটা বেশি। প্রতিটি কাঁঠাল বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায়। বাংলাবাজারের ফল বিক্রেতা নুরল আমিন জানান, করোনায় দূর থেকে কাঁঠাল আনি নাই। গত বছর অনেক ফল নষ্ট হয়েছে।বিক্রি করতে পারিনি।পচেঁ নষ্ট হয়েছে,গুনতে হয়েছে লসের অংক।তাই নিজ গাছের কাঁঠাল নিয়েই আপাতত বাজার ধরতে বসেছেন। কয়েকদিনের মধ্যে কাঁঠালের দাম কমে আসবে বলে জানান তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: Nagorik It.Com