1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. zahangiralam353@gmail.com : Channel Inani :
শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
আল্লামা ক্বারী কামাল চিরনিদ্রায় শায়িত:জানাজায় মানুষের ঢল উখিয়ায় পালংখালী- থাইংখালী খাল সংস্কার না করার ফলে জনজীবনে দুর্ভোগ মহেশখালীতে পাহাড়ধসে ২ জনের মৃত্যু,ঢলে তলিয়ে গেছে ২শতাধিক বাড়িঘর,রাস্তাঘাট ও জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঈদগাঁও -ঈদগড় -বাইশারী সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এক ব্যবসায়ীর আর্তনাদ সরকারের প্রতি আবেদন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী গ্রাম অঞ্চলে দিন দিন চুরির ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। হ্নীলার রংগীখালীতে অতিবৃষ্টির ফলে প্লাবিত হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাবাসী মুর ঈদগড়ে পাহাড়ী ঢলের পানিতে নিন্মাঞ্চল প্লাবিত, চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন মহলের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ সাঁকো দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার ঘুমধুমে বৃষ্টির পানিতে সাঁতার কাটতে গিয়ে শিশুর মৃত্যু
শিরোনাম
আল্লামা ক্বারী কামাল চিরনিদ্রায় শায়িত:জানাজায় মানুষের ঢল উখিয়ায় পালংখালী- থাইংখালী খাল সংস্কার না করার ফলে জনজীবনে দুর্ভোগ মহেশখালীতে পাহাড়ধসে ২ জনের মৃত্যু,ঢলে তলিয়ে গেছে ২শতাধিক বাড়িঘর,রাস্তাঘাট ও জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঈদগাঁও -ঈদগড় -বাইশারী সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এক ব্যবসায়ীর আর্তনাদ সরকারের প্রতি আবেদন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী গ্রাম অঞ্চলে দিন দিন চুরির ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। হ্নীলার রংগীখালীতে অতিবৃষ্টির ফলে প্লাবিত হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাবাসী মুর ঈদগড়ে পাহাড়ী ঢলের পানিতে নিন্মাঞ্চল প্লাবিত, চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন মহলের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ সাঁকো দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার ঘুমধুমে বৃষ্টির পানিতে সাঁতার কাটতে গিয়ে শিশুর মৃত্যু

বর্তমান রাজনীতি ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে যোগ্যতাই হোক পরিবর্তনের মাপকাঠি

  • আপডেট করা হয়েছে শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

 

মিজানুর রহমান মিজান

একটি দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট তখনই উন্নতির দিকে ধাবিত হবে যখন সে দেশের তরুনরা দেশকে নিয়ে ভাববে,তরুনরা দেশের জন্য কাজ করবে।
কথিত আছে যৌবন যার যুদ্ধে যাবার সময় তার।এখন প্রশ্ন হল তরুনরা কিভাবে ভাববে ও তাদের কারা সাহায্য করবে?

তাদের সাহাজ্য করার বড় মাধ্যম হচ্ছে সামাজিক প্রেক্ষাপট?? একটি শিশু সমাজ থেকে শিখবে।।সমাজের যে সংস্কৃতি তা তাকে ন্যায় ও অন্যায়ের পথ বুঝতে সাহায্য করবে।
যে_দেশের,মসজিদ,মাদ্রাসার,সভাপতি ও উপদেষ্টা হয় চোর,চরিএহীন সে দেশের তরুনরা ভাল কিছু শিখবে তা প্রত্যাশা করা ভুল।
স্কুল,কলেজের সভাপতি হয় যে নাম লিখতে দশবার তার হাত থেকে কলম পড়ে যায়।

তাহলে সে দেশের তরুণরা শিক্ষিত হয়ে সে দেশের জন্য কাজ করবে না এটাই স্বাভাবিক। ফ্রয়েড সাহেব বলেছিলেন মানুষ যা কল্পনা করে তাই সে বাস্তবে করার চেষ্টা করে।।আর হিটলার সাহেব বলেছিলেন যে বেশী মিথ্যাবাদী সে ততবড় রাজনীতিবিদ।।এখন এই অবস্থার পরিবর্তন তরুণরা করতে পারে এমন কথা বলা হয় সব মিডিয়া ও টিভি চ্যানেলগুলোতে।

অবস্থার পরিবর্তন করতে গেলে প্রথমে যেটা দরকার সেটা নির্বাচনে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে,সৎ মেধাবী যোগ্যতম প্রার্থী বাছাই করতে হবে।।আর এই প্রার্থী বাছাই করার জন্য তরুণদের নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক আলোচনা সভা করা যেতে পারে,প্রত্যেকটি ইউনিয়ন থানা পর্যায়ে তুলনামূলক যোগ্যতম প্রার্থী বাছাই করতে হবে।।রাজনীতিতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরী করতে হবে।

এলাকায় যে প্রার্থী নির্বাচনে দাঁড়াবে তার অবশ্যই জনসংশ্লিষ্টতা থাকতে হবে। এমনও অনেক এমপি আছে যাদের ভোটের পর তাদের আর এলাকায় দেখা যায় না।।এরকম কাউকে অবশ্যই কোন রকম সুযোগ দেয়া যাবে না।রাজনীতির এমন পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে যে তরুণরা রাজনীতি করতে আগ্রহবোধ করে।

দিন পাল্টেছে,সমাজ ও পাল্টাচ্ছে, ভাবনা ও পাল্টাচ্ছে তাই প্রত্যেকটি সাধারণ মানুষের উচিত চিন্তা ভাবনা করে প্রার্থী বাছাই করা ও তরুণদের একটা বড় অংশ যাতে সেই বাছাইয়ে থাকে। তাহলে কিছুটা হলেও দেশের সামগ্রিক অবস্থায় পরিবর্তন আসবে।

তাই সমাজকাঠামোকে পরিবর্তন করতে হবে।
কারণ তরুণরা সমাজ থেকেই শিখে তারা যখন দেখবে প্রতিটি যোগ্য ব্যক্তি যোগ্যতার আসনে বসে আছে তাহলে তারাও যোগ্যতা অর্জন করার চেষ্টা করবে।

তাই যোগ্যতাই হোক পরিবর্তনের মাপকাঠি।

বর্তমান রাজনীতি ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে যোগ্যতাই হোক পরিবর্তনের মাপকাঠি

মিজানুর রহমান মিজান

একটি দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট তখনই উন্নতির দিকে ধাবিত হবে যখন সে দেশের তরুনরা দেশকে নিয়ে ভাববে,তরুনরা দেশের জন্য কাজ করবে।
কথিত আছে যৌবন যার যুদ্ধে যাবার সময় তার।এখন প্রশ্ন হল তরুনরা কিভাবে ভাববে ও তাদের কারা সাহায্য করবে?

তাদের সাহাজ্য করার বড় মাধ্যম হচ্ছে সামাজিক প্রেক্ষাপট?? একটি শিশু সমাজ থেকে শিখবে।।সমাজের যে সংস্কৃতি তা তাকে ন্যায় ও অন্যায়ের পথ বুঝতে সাহায্য করবে।
যে_দেশের,মসজিদ,মাদ্রাসার,সভাপতি ও উপদেষ্টা হয় চোর,চরিএহীন সে দেশের তরুনরা ভাল কিছু শিখবে তা প্রত্যাশা করা ভুল।
স্কুল,কলেজের সভাপতি হয় যে নাম লিখতে দশবার তার হাত থেকে কলম পড়ে যায়।

তাহলে সে দেশের তরুণরা শিক্ষিত হয়ে সে দেশের জন্য কাজ করবে না এটাই স্বাভাবিক। ফ্রয়েড সাহেব বলেছিলেন মানুষ যা কল্পনা করে তাই সে বাস্তবে করার চেষ্টা করে।।আর হিটলার সাহেব বলেছিলেন যে বেশী মিথ্যাবাদী সে ততবড় রাজনীতিবিদ।।এখন এই অবস্থার পরিবর্তন তরুণরা করতে পারে এমন কথা বলা হয় সব মিডিয়া ও টিভি চ্যানেলগুলোতে।

অবস্থার পরিবর্তন করতে গেলে প্রথমে যেটা দরকার সেটা নির্বাচনে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে,সৎ মেধাবী যোগ্যতম প্রার্থী বাছাই করতে হবে।।আর এই প্রার্থী বাছাই করার জন্য তরুণদের নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক আলোচনা সভা করা যেতে পারে,প্রত্যেকটি ইউনিয়ন থানা পর্যায়ে তুলনামূলক যোগ্যতম প্রার্থী বাছাই করতে হবে।।রাজনীতিতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরী করতে হবে।

এলাকায় যে প্রার্থী নির্বাচনে দাঁড়াবে তার অবশ্যই জনসংশ্লিষ্টতা থাকতে হবে। এমনও অনেক এমপি আছে যাদের ভোটের পর তাদের আর এলাকায় দেখা যায় না।।এরকম কাউকে অবশ্যই কোন রকম সুযোগ দেয়া যাবে না।রাজনীতির এমন পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে যে তরুণরা রাজনীতি করতে আগ্রহবোধ করে।

দিন পাল্টেছে,সমাজ ও পাল্টাচ্ছে, ভাবনা ও পাল্টাচ্ছে তাই প্রত্যেকটি সাধারণ মানুষের উচিত চিন্তা ভাবনা করে প্রার্থী বাছাই করা ও তরুণদের একটা বড় অংশ যাতে সেই বাছাইয়ে থাকে। তাহলে কিছুটা হলেও দেশের সামগ্রিক অবস্থায় পরিবর্তন আসবে।

তাই সমাজকাঠামোকে পরিবর্তন করতে হবে।
কারণ তরুণরা সমাজ থেকেই শিখে তারা যখন দেখবে প্রতিটি যোগ্য ব্যক্তি যোগ্যতার আসনে বসে আছে তাহলে তারাও যোগ্যতা অর্জন করার চেষ্টা করবে।

তাই যোগ্যতাই হোক পরিবর্তনের মাপকাঠি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: Nagorik It.Com