1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. zahangiralam353@gmail.com : Channel Inani :
সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
মেসির দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা ঈদগাঁওর ব্যবসায়ী ছানা উল্লাহর জানাজা সম্পন্ন মাতারবাড়ীর স্কুল ছাত্রী অপহরণের ৩ দিন পর পেকুয়া থেকে লাশ উদ্ধার তারেক রহমানকে বেয়াদব বললেন ওবায়দুল কাদের ৭ ডিসেম্বর কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী জনসভায় দলে দলে যোগ দেবেন দরিয়া নগর বড় ছড়াবাসী কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগমন উপলক্ষে মহেশখালী পৌর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত ঈদগাঁওতে মদসহ আটক মেম্বার মুন্না সম্পর্কে যা জানা গেছে নাইক্ষ্যংছড়িতে পার্বত্য শান্তিচুক্তির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মহেশখালীতে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু বিয়ের আসরে গয়না নিয়ে সংঘর্ষে কনের দাদির মৃত্যু,বরসহ আটক ১২
শিরোনাম
মেসির দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা ঈদগাঁওর ব্যবসায়ী ছানা উল্লাহর জানাজা সম্পন্ন মাতারবাড়ীর স্কুল ছাত্রী অপহরণের ৩ দিন পর পেকুয়া থেকে লাশ উদ্ধার তারেক রহমানকে বেয়াদব বললেন ওবায়দুল কাদের ৭ ডিসেম্বর কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী জনসভায় দলে দলে যোগ দেবেন দরিয়া নগর বড় ছড়াবাসী কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগমন উপলক্ষে মহেশখালী পৌর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত ঈদগাঁওতে মদসহ আটক মেম্বার মুন্না সম্পর্কে যা জানা গেছে নাইক্ষ্যংছড়িতে পার্বত্য শান্তিচুক্তির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মহেশখালীতে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু বিয়ের আসরে গয়না নিয়ে সংঘর্ষে কনের দাদির মৃত্যু,বরসহ আটক ১২

বর্তমান রাজনীতি ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে যোগ্যতাই হোক পরিবর্তনের মাপকাঠি

  • আপডেট করা হয়েছে শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০২১
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে

 

মিজানুর রহমান মিজান

একটি দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট তখনই উন্নতির দিকে ধাবিত হবে যখন সে দেশের তরুনরা দেশকে নিয়ে ভাববে,তরুনরা দেশের জন্য কাজ করবে।
কথিত আছে যৌবন যার যুদ্ধে যাবার সময় তার।এখন প্রশ্ন হল তরুনরা কিভাবে ভাববে ও তাদের কারা সাহায্য করবে?

তাদের সাহাজ্য করার বড় মাধ্যম হচ্ছে সামাজিক প্রেক্ষাপট?? একটি শিশু সমাজ থেকে শিখবে।।সমাজের যে সংস্কৃতি তা তাকে ন্যায় ও অন্যায়ের পথ বুঝতে সাহায্য করবে।
যে_দেশের,মসজিদ,মাদ্রাসার,সভাপতি ও উপদেষ্টা হয় চোর,চরিএহীন সে দেশের তরুনরা ভাল কিছু শিখবে তা প্রত্যাশা করা ভুল।
স্কুল,কলেজের সভাপতি হয় যে নাম লিখতে দশবার তার হাত থেকে কলম পড়ে যায়।

তাহলে সে দেশের তরুণরা শিক্ষিত হয়ে সে দেশের জন্য কাজ করবে না এটাই স্বাভাবিক। ফ্রয়েড সাহেব বলেছিলেন মানুষ যা কল্পনা করে তাই সে বাস্তবে করার চেষ্টা করে।।আর হিটলার সাহেব বলেছিলেন যে বেশী মিথ্যাবাদী সে ততবড় রাজনীতিবিদ।।এখন এই অবস্থার পরিবর্তন তরুণরা করতে পারে এমন কথা বলা হয় সব মিডিয়া ও টিভি চ্যানেলগুলোতে।

অবস্থার পরিবর্তন করতে গেলে প্রথমে যেটা দরকার সেটা নির্বাচনে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে,সৎ মেধাবী যোগ্যতম প্রার্থী বাছাই করতে হবে।।আর এই প্রার্থী বাছাই করার জন্য তরুণদের নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক আলোচনা সভা করা যেতে পারে,প্রত্যেকটি ইউনিয়ন থানা পর্যায়ে তুলনামূলক যোগ্যতম প্রার্থী বাছাই করতে হবে।।রাজনীতিতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরী করতে হবে।

এলাকায় যে প্রার্থী নির্বাচনে দাঁড়াবে তার অবশ্যই জনসংশ্লিষ্টতা থাকতে হবে। এমনও অনেক এমপি আছে যাদের ভোটের পর তাদের আর এলাকায় দেখা যায় না।।এরকম কাউকে অবশ্যই কোন রকম সুযোগ দেয়া যাবে না।রাজনীতির এমন পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে যে তরুণরা রাজনীতি করতে আগ্রহবোধ করে।

দিন পাল্টেছে,সমাজ ও পাল্টাচ্ছে, ভাবনা ও পাল্টাচ্ছে তাই প্রত্যেকটি সাধারণ মানুষের উচিত চিন্তা ভাবনা করে প্রার্থী বাছাই করা ও তরুণদের একটা বড় অংশ যাতে সেই বাছাইয়ে থাকে। তাহলে কিছুটা হলেও দেশের সামগ্রিক অবস্থায় পরিবর্তন আসবে।

তাই সমাজকাঠামোকে পরিবর্তন করতে হবে।
কারণ তরুণরা সমাজ থেকেই শিখে তারা যখন দেখবে প্রতিটি যোগ্য ব্যক্তি যোগ্যতার আসনে বসে আছে তাহলে তারাও যোগ্যতা অর্জন করার চেষ্টা করবে।

তাই যোগ্যতাই হোক পরিবর্তনের মাপকাঠি।

বর্তমান রাজনীতি ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে যোগ্যতাই হোক পরিবর্তনের মাপকাঠি

মিজানুর রহমান মিজান

একটি দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট তখনই উন্নতির দিকে ধাবিত হবে যখন সে দেশের তরুনরা দেশকে নিয়ে ভাববে,তরুনরা দেশের জন্য কাজ করবে।
কথিত আছে যৌবন যার যুদ্ধে যাবার সময় তার।এখন প্রশ্ন হল তরুনরা কিভাবে ভাববে ও তাদের কারা সাহায্য করবে?

তাদের সাহাজ্য করার বড় মাধ্যম হচ্ছে সামাজিক প্রেক্ষাপট?? একটি শিশু সমাজ থেকে শিখবে।।সমাজের যে সংস্কৃতি তা তাকে ন্যায় ও অন্যায়ের পথ বুঝতে সাহায্য করবে।
যে_দেশের,মসজিদ,মাদ্রাসার,সভাপতি ও উপদেষ্টা হয় চোর,চরিএহীন সে দেশের তরুনরা ভাল কিছু শিখবে তা প্রত্যাশা করা ভুল।
স্কুল,কলেজের সভাপতি হয় যে নাম লিখতে দশবার তার হাত থেকে কলম পড়ে যায়।

তাহলে সে দেশের তরুণরা শিক্ষিত হয়ে সে দেশের জন্য কাজ করবে না এটাই স্বাভাবিক। ফ্রয়েড সাহেব বলেছিলেন মানুষ যা কল্পনা করে তাই সে বাস্তবে করার চেষ্টা করে।।আর হিটলার সাহেব বলেছিলেন যে বেশী মিথ্যাবাদী সে ততবড় রাজনীতিবিদ।।এখন এই অবস্থার পরিবর্তন তরুণরা করতে পারে এমন কথা বলা হয় সব মিডিয়া ও টিভি চ্যানেলগুলোতে।

অবস্থার পরিবর্তন করতে গেলে প্রথমে যেটা দরকার সেটা নির্বাচনে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে,সৎ মেধাবী যোগ্যতম প্রার্থী বাছাই করতে হবে।।আর এই প্রার্থী বাছাই করার জন্য তরুণদের নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক আলোচনা সভা করা যেতে পারে,প্রত্যেকটি ইউনিয়ন থানা পর্যায়ে তুলনামূলক যোগ্যতম প্রার্থী বাছাই করতে হবে।।রাজনীতিতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরী করতে হবে।

এলাকায় যে প্রার্থী নির্বাচনে দাঁড়াবে তার অবশ্যই জনসংশ্লিষ্টতা থাকতে হবে। এমনও অনেক এমপি আছে যাদের ভোটের পর তাদের আর এলাকায় দেখা যায় না।।এরকম কাউকে অবশ্যই কোন রকম সুযোগ দেয়া যাবে না।রাজনীতির এমন পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে যে তরুণরা রাজনীতি করতে আগ্রহবোধ করে।

দিন পাল্টেছে,সমাজ ও পাল্টাচ্ছে, ভাবনা ও পাল্টাচ্ছে তাই প্রত্যেকটি সাধারণ মানুষের উচিত চিন্তা ভাবনা করে প্রার্থী বাছাই করা ও তরুণদের একটা বড় অংশ যাতে সেই বাছাইয়ে থাকে। তাহলে কিছুটা হলেও দেশের সামগ্রিক অবস্থায় পরিবর্তন আসবে।

তাই সমাজকাঠামোকে পরিবর্তন করতে হবে।
কারণ তরুণরা সমাজ থেকেই শিখে তারা যখন দেখবে প্রতিটি যোগ্য ব্যক্তি যোগ্যতার আসনে বসে আছে তাহলে তারাও যোগ্যতা অর্জন করার চেষ্টা করবে।

তাই যোগ্যতাই হোক পরিবর্তনের মাপকাঠি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: Nagorik It.Com