1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. zahangiralam353@gmail.com : Channel Inani :
শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:৩৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
আজ রাত ৯টায় ক্রোয়েশিয়ার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ফখরুল-আব্বাসকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে: ডিবি প্রধান আর্জেন্টিনার জার্সি পরিহিত অস্ত্রধারী ব্যক্তি ছাত্রলীগ নেতা নয়: ডিবি প্রধান তারেক জিয়াকে দেশে এনে বিচার করব: প্রধানমন্ত্রী মহেশখালী থানা পুলিশের অভিযানে ১০টি গ্রেফতারী পরোয়ানা ভুক্ত ২ আসামী গ্রেফতার,এলাকায় স্বস্তি বিএনপির সমাবেশ ঘিরে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত র‍্যাব মহেশখালী থানা পুলিশের অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী বাবুল অস্ত্রসহ গ্রেফতার মেসির দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা ঈদগাঁওর ব্যবসায়ী ছানা উল্লাহর জানাজা সম্পন্ন মাতারবাড়ীর স্কুল ছাত্রী অপহরণের ৩ দিন পর পেকুয়া থেকে লাশ উদ্ধার
শিরোনাম
আজ রাত ৯টায় ক্রোয়েশিয়ার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ফখরুল-আব্বাসকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে: ডিবি প্রধান আর্জেন্টিনার জার্সি পরিহিত অস্ত্রধারী ব্যক্তি ছাত্রলীগ নেতা নয়: ডিবি প্রধান তারেক জিয়াকে দেশে এনে বিচার করব: প্রধানমন্ত্রী মহেশখালী থানা পুলিশের অভিযানে ১০টি গ্রেফতারী পরোয়ানা ভুক্ত ২ আসামী গ্রেফতার,এলাকায় স্বস্তি বিএনপির সমাবেশ ঘিরে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত র‍্যাব মহেশখালী থানা পুলিশের অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী বাবুল অস্ত্রসহ গ্রেফতার মেসির দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা ঈদগাঁওর ব্যবসায়ী ছানা উল্লাহর জানাজা সম্পন্ন মাতারবাড়ীর স্কুল ছাত্রী অপহরণের ৩ দিন পর পেকুয়া থেকে লাশ উদ্ধার

কোরবানি ঈদ সামনে রেখে মহেশখালীতে ব্যস্ত কামারপট্টি

  • আপডেট করা হয়েছে রবিবার, ১৮ জুলাই, ২০২১
  • ১২৮ বার পড়া হয়েছে

গাজী মোহাম্মদ আবু তাহের মহেশখালী

দুইদিন পর পর ঈদুল আজহা,তার আগেই জমে উঠছে দা-বঁটির বাজার।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের করণে লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়েছিল কামারপট্রির কারিগররা।

কোরবানি ঈদ কে সামনে রেখে সরকার লকডাউন কিছুটা শীতল করায় এখন
ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর বিভিন্ন কামারপট্টির কারিগররা।

ঈদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে দা, চাকু, কুরালসহ লোহার সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তারা।

দিনের পাশাপাশি গভীর রাতেও কামাররা লোহার সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

বছরের এ সময় চাহিদা বেশি থাকায় কামাররা ভালো উপার্জন করে থাকেন।

মহেশখালীতে যেসব এলাকায় ব্যস্ততা বেশি সেগুলো হল-মহেশখালী পৌর শহর গোরকঘাটা বাজার,বড় মহেশখালী নতুন বাজার,হোয়ানক টাইম বাজার,কালামারছড়া ও মাতারবাড়ী বাজার।

মহেশখালীতে ছোট বড় ১৫-২৫টি
দোকান রয়েছে বিভিন্ন বাজারের কামারপট্টিতে।

দোকানদারদের কেউ ভাড়াটিয়া,নিজ বাড়িতে বংশানুক্রমে এ পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।

লোকসান ভেবেও এ পেশা তারা ছাড়ছেন না। তবে কিছু মৌসুমি ব্যবসায়ী রয়েছেন,যারা শুধু ঈদ সামনে রেখে এ ব্যবসা করে থাকেন।

ঈদুল আজহার সময় কর্মব্যস্ততা বেড়ে যায় বিভিন্ন কামারপট্টিতে।

ঈদ মৌসুমে কোরবানির জন্য কামারপট্টির কারিগরদের প্রচুর পরিমাণ দা, চাকু, বঁটি ও চাপাতি জোগান দিতে হয়।

মহেশখালী পৌর শহর গোরকঘাটা বাজারে
কামারপট্টির স্বপন কর্মকার বলেন-

বাব-দাদার আমল থেকে এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত রয়েছি।

কিন্তু আমরা অনেক কষ্ট করে সংসার চালাই। আমাদের দুঃখের কোনো সীমা নেই।

তবে ঈদ মৌসুমে আমাদের মূল টার্গেট বছরের কয়েকটা দিন ভালো টাকা,ভালো উপার্জন করা।

গত ঈদে কয়েক হাজার টাকা উপার্জন হলেও কারিগরদের বেতন দিয়ে খুব একটা থাকেনি। কোরবানিকে কেন্দ্র করে বেশি অর্ডার আসছে চাপাতি, দা, বঁটি, চুরি ও কুড়ালের।

কাজের চাপ বেশি থাকলেও যন্ত্র তৈরি জ্বালানির দাম অনেক বেশি।

এক বস্তা কয়লার দাম ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। যা একদিনও যায় না। এক কেজি লোহার দাম ২০০ টাকা। কিন্তু এক কেজি লোহা থেকে একটি দা বিক্রি করি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। তারা সারাদিন আগুনের সামনে বসে থেকে মাত্র দিন শেষে ৪০০ টাকা পাওয়া যায়।

এ টাকা দিয়ে তাদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়। সরকার যদি তাদের সহযোগিতা না করে তারা একদিন এ পেশা ছেড়ে দেবেন।

হোয়ানকের এলাকার কর্মকার সাধন বলেন-

৫ বছর আগে যে লোহার দাম ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি। সে লোহার দাম এখন বেড়ে হয়েছে ২০০ টাকা। ‘ভাতি’র দাম ছিল তিন হাজার টাকা। সেটা বেড়ে হয়েছে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা।

শ্রমিকদের মজুরি ছিল ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। সেটা এখন বেড়ে হয়েছে সাড়ে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায়।

তবে বছরজুড়ে এ শিল্পে মন্দাভাব থাকলেও কোরবানির সময় তাদের কদর বেড়ে যায়।

ঈদ মৌসুমে কাজের ব্যস্ততা বাড়ে। এছাড়া ধান কাটার মৌসুমে কাঁচি তৈরিতে কিছুটা ব্যস্ততা বাড়ে।

এক সময় লোহার তৈরি দা, বঁটি, ছুরিসহ বিভিন্ন জিনিস গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার হতো বেশি। বর্তমানে কামারের তৈরি লোহার জিনিসের পরিবর্তে রেডিমেড যন্ত্রপাতির ব্যবহার হচ্ছে।

কালামারছড়া বাজারের কর্মকার রূপন বলেন-

কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে ভালো আয় রোজগার হচ্ছে,লকডাউনের কর্মহীন হয়ে পড়েছিলাম,বর্তমানে কাজে ফিরে অনেকটা স্বস্তি ফিরিয়ে।

সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগী না পেলে বাপ দাদার এই পেশা ছেড়ে দিতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: Nagorik It.Com