1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. zahangiralam353@gmail.com : Channel Inani :
বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ফইল্যাতলি কিচেন মার্কেট অনুমোদনহীন নতুন স্থাপনায় সৌন্দর্যহানি সদর উপজেলা প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন সদর উপজেলা শাখার কমিটি গঠন ৩ কোটি টাকার চোরাইপণ্য জব্দ দাবী বিজিবির চট্টগ্রাম ১০ আসনের এমপি বাচ্চুর জামিন মঞ্জুর আবুল কালাম চট্টগ্রাম এম আর আয়াজ রবি সভাপতি ও জাহাঙ্গীর আলমকে সাঃ সম্পাদক করে বাপা উখিয়া উপজেলা কমিটি অনুমোদন নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত শান্ত বিজিবি সতর্ক বিমান হামলার আতঙ্ক চট্টগ্রামের সিআরবিতে চসিকের বইমেলাকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা সেনা, ৩৩০ জনকে ফেরত পাঠানো হল। মহেশখালীতে বন কর্মকর্তা ভূমিখেকোদের যোগসাজশে উপকূলীয় এলাকায় প্যারাবনের অস্তিত্ব সংকটে
শিরোনাম
ফইল্যাতলি কিচেন মার্কেট অনুমোদনহীন নতুন স্থাপনায় সৌন্দর্যহানি সদর উপজেলা প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন সদর উপজেলা শাখার কমিটি গঠন ৩ কোটি টাকার চোরাইপণ্য জব্দ দাবী বিজিবির চট্টগ্রাম ১০ আসনের এমপি বাচ্চুর জামিন মঞ্জুর আবুল কালাম চট্টগ্রাম এম আর আয়াজ রবি সভাপতি ও জাহাঙ্গীর আলমকে সাঃ সম্পাদক করে বাপা উখিয়া উপজেলা কমিটি অনুমোদন নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত শান্ত বিজিবি সতর্ক বিমান হামলার আতঙ্ক চট্টগ্রামের সিআরবিতে চসিকের বইমেলাকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা সেনা, ৩৩০ জনকে ফেরত পাঠানো হল। মহেশখালীতে বন কর্মকর্তা ভূমিখেকোদের যোগসাজশে উপকূলীয় এলাকায় প্যারাবনের অস্তিত্ব সংকটে

ঝক ঝক ট্রেনের শব্দে ভাঙবে কক্সবাজার বাসীর ঘুম

  • আপডেট করা হয়েছে শনিবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৩২৫৯ বার পড়া হয়েছে

 

ইমতিয়াজ মাহমুদ ইমন

ঝক ঝক ঝক ট্রেন চলেছে রাত দুপুরে অই/ ট্রেন চলেছে, ট্রেন চলেছে ট্রেনের বাড়ি কই? সেই ট্রেনের বাড়ি হতে যাচ্ছে পর্যটন নগরী কক্সবাজার। চলতি বছরের জুন থেকে অক্টোবরে পর্যটক নিয়ে দরিয়ানগরে ট্রেন আসার প্রত্যয়ে দ্রুত এগুচ্ছে চলমান রেল প্রকল্পের কাজ।

কাজ শেষ হলেই ঢাকা থেকে প্রতিদিন ১০ জোড়ার পাশাপশি চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি ও লোকাল মিলে আরও বেশকিছু ট্রেন যাবে কক্সবাজার। পর্যটকবাহী এক একটি ট্রেনে থাকবে ৮০০ থেকে ১২০০ যাত্রী।

সব মিলিয়ে এ রেলপথে বছরে যাত্রী আসা-যাওয়া করবে প্রায় ২ কোটি। কাক ডাকা ভোরে হুইসেলের শব্দে ঘুম ভাঙবে স্থানীয়দের।

কোথাও সমতলের মাঝখানে, কোথাও পাহাড়ের বুক চিরে আবার কোথাও নদীর ওপর দিয়ে গেছে স্বপ্নের রেললাইন। যেটি দিয়ে ভ্রমণ পিপাসুরা ছুটে যাবেন পর্যটন নগরীতে।

আর উপভোগ করবেন নদী, খাল-বিল ও সবুজে ঘেরা অপরূপ সৌন্দর্য।

সরকারের মেগা প্রকল্পগুলো যখন একে একে বাস্তবায়ন হচ্ছে ঠিক তখনই মানুষের চোখ স্বপ্নের দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ প্রকল্পের দিকে। চলছে শেষ পর্যায়ের কাজ। পাখির চোখে দেখলেই ধরা পড়ে কর্মযজ্ঞ। বিশাল আকৃতির ক্রেনের কর্মব্যস্ততা আর নির্মাণসামগ্রীর ভারী যানবাহন জানান দিচ্ছে, এগিয়ে চলছে কাজ দ্রুত গতিতে।

কক্সবাজারের মানুষের এক সময়ের স্বপ্ন এখন বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে। ২০২৪ সালে শেষ করার সিডিউল নিয়ে দ্রুত এগুচ্ছে দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ প্রকল্প। তবে নির্মাণ শেষ হতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। চলতি বছরেই পর্যটক নিয়ে কক্সবাজার যাবে ট্রেন। ইতিমধ্যে ৮৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

বছরে ২ কোটি যাত্রী পরিবহনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে নতুন বছর যাত্রা শুরু করছে ঝিনুক আকৃতির বিশ্বমানের রেল স্টেশন। এ আইকনিক স্টেশনে প্রতিদিন রাজধানী থেকে আসবে ১০ জোড়া পর্যটক ট্রেন, এর বাইরে বন্দরনগরী থেকে যাবে আরো বেশ কয়েক জোড়া। যেটি চালু হলে ঢাকা থেকে ৮ ঘন্টা আর চট্টগ্রাম থেকে আড়াই ঘন্টায় যাওয়া যাবে সমুদ্র নগরে।

রেল কর্তৃপক্ষের ধারণা, ঢাকা থেকে কক্সবাজার টিকিটের দাম পড়বে মানভেদে ৭০০-১৫০০ টাকা, আর চট্টগ্রাম থেকে ২০০-৪০০ টাকা। কর্তৃপক্ষ বলছে, এ রেলপথে এটিসহ মোট নয়টি স্টেশন তৈরি হবে, যা স্থানীয় অর্থনীতি আর পর্যটনে যোগ করবে নতুন সম্ভাবনা।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে এটিসহ মোট নয়টি স্টেশন করা হবে। যার সাথে স্থানীয় অর্থনীতিরও যোগসূত্র তৈরি হবে। স্টেশন ঘিরে হোটেল, মোটেল, পরিবহন খাতে তৈরি হবে নতুন উদ্যেক্তা। সমৃদ্ধ হবে আশপাশের কয়েক কিলোমিটারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।

প্রকল্পের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ আইকনিক রেলস্টেশন। ছয় শতাধিক শ্রমিক ও প্রকৌশলীর শ্রম-ঘাম আর মেধায় চার বছরেই এটি এখন দৃশ্যমান। চারদিকে চলছে গ্লাস ফিটিংস, ছাদের স্টিল ক্যানোফি, আর নানা ধরনের ফিটিংস বসানোর কাজ। ঝকঝকে আধুনিক এই স্টেশন অনেকটা উন্নত বিশ্বের কোনও বিমান বন্দরের মতোই। ভবনের নিচতলায় আছে টিকিট কাউন্টার, অভ্যর্থনা, লকারসহ নানা সুবিধা। দ্বিতীয় তলায় শপিং মল রেস্তোরাঁ। তিন তলায় আছে তারকামানের হোটেলে, যেখানে ৩৯টি রুমে থাকার সুযোগ পাবেন পর্যটকেরা। চার তলাতেও রেস্তোরাঁ, শিশুযত্নকেন্দ্রসহ রাখা আছে কর্মকর্তাদের কার্যালয়।

গুরুত্ব বিবেচনায় ২০১১ সালের ৩ এপ্রিল দোহাজারী-রামু-কক্সবাজার ও রামু-ঘুমধুম পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইতিমধ্যে দোহাজারী-কক্সবাজার ১০০ কিলোমিটার রেলপথের ৮০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ১০০ কিলোমিটার রেলপথে সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চকরিয়া, ডুলাহাজারা, ঈদগাঁও, রামু, কক্সবাজার সদরসহ স্টেশন থাকছে আটটি। এ জন্য সাঙ্গু মাতামুহুরী ও বাঁকখালী নদীর ওপর নির্মাণ করা হয়েছে তিনটি বড় সেতু। এছাড়াও রেলপথে তৈরি হয়েছে ৪৩টি ছোট সেতু, ২০১টি কালভার্ট ও ১৪৪টি লেভেল ক্রসিং। সাতকানিয়ার কেঁওচিয়া এলাকায় তৈরি হচ্ছে একটি ফ্লাইওভার, রামু ও কক্সবাজার এলাকায় দুটি হাইওয়ে ক্রসিং। হাতি ও অন্যান্য বন্যপ্রাণীর চলাচলে ৫০ মিটারের একটি ওভারপাস ও তিনটি আন্ডারপাস নির্মাণ করা হচ্ছে।

প্রকল্প পরিচালক মফিজুর রহমানের আমাদের কক্সবাজার কে বলেন, ১০০ কিলোমিটার রেললাইনের মধ্যে ৫০ কিলোমিটারের বেশি এখন দৃশ্যমান। বেশিরভাগ ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ শেষ হয়েছে। যেগুলো বাকি আছে সেগুলো আগামি কয়েক মাসেই শেষ হবে। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পের অগ্রগতি ৮০ শতাংশ। প্রকল্পের মেয়াদ আছে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত। তবে আমরা চেষ্টা করছি ২০২৩ সালের জুন-অক্টোবরের মধ্যে কাজ শেষ করতে। একইসাথে রেলস্টেশনগুলোর নির্মাণকাজও চলমান আছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: Nagorik It.Com