1. shahalom.socio@gmail.com : admin :
  2. zahangiralam353@gmail.com : Channel Inani :
বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ফইল্যাতলি কিচেন মার্কেট অনুমোদনহীন নতুন স্থাপনায় সৌন্দর্যহানি সদর উপজেলা প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন সদর উপজেলা শাখার কমিটি গঠন ৩ কোটি টাকার চোরাইপণ্য জব্দ দাবী বিজিবির চট্টগ্রাম ১০ আসনের এমপি বাচ্চুর জামিন মঞ্জুর আবুল কালাম চট্টগ্রাম এম আর আয়াজ রবি সভাপতি ও জাহাঙ্গীর আলমকে সাঃ সম্পাদক করে বাপা উখিয়া উপজেলা কমিটি অনুমোদন নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত শান্ত বিজিবি সতর্ক বিমান হামলার আতঙ্ক চট্টগ্রামের সিআরবিতে চসিকের বইমেলাকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা সেনা, ৩৩০ জনকে ফেরত পাঠানো হল। মহেশখালীতে বন কর্মকর্তা ভূমিখেকোদের যোগসাজশে উপকূলীয় এলাকায় প্যারাবনের অস্তিত্ব সংকটে
শিরোনাম
ফইল্যাতলি কিচেন মার্কেট অনুমোদনহীন নতুন স্থাপনায় সৌন্দর্যহানি সদর উপজেলা প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন সদর উপজেলা শাখার কমিটি গঠন ৩ কোটি টাকার চোরাইপণ্য জব্দ দাবী বিজিবির চট্টগ্রাম ১০ আসনের এমপি বাচ্চুর জামিন মঞ্জুর আবুল কালাম চট্টগ্রাম এম আর আয়াজ রবি সভাপতি ও জাহাঙ্গীর আলমকে সাঃ সম্পাদক করে বাপা উখিয়া উপজেলা কমিটি অনুমোদন নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত শান্ত বিজিবি সতর্ক বিমান হামলার আতঙ্ক চট্টগ্রামের সিআরবিতে চসিকের বইমেলাকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা সেনা, ৩৩০ জনকে ফেরত পাঠানো হল। মহেশখালীতে বন কর্মকর্তা ভূমিখেকোদের যোগসাজশে উপকূলীয় এলাকায় প্যারাবনের অস্তিত্ব সংকটে

উখিয়ায় রোহিঙ্গা ৮ এপিবিএন পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৯ অপহরনকারী আটক

  • আপডেট করা হয়েছে রবিবার, ৯ জুলাই, ২০২৩
  • ১৮৫ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃ জয়নাল:উখিয়া প্রতিনিধি

এপিবিএন পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির সুত্রে জানা যায়, গত (২ জুলাই) একটি অপরাধী চক্র টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায় গাছ থেকে সুপারি পাড়া ও তা গাড়িতে তোলা কাজের প্রলোভন দেখিয়ে উখিয়া ১৩ নম্বর ক্যাম্পের ৩ জন কিশোর ছেলেকে প্রথমে নিয়ে যায়। পরে তাদেরকে অবৈধভাবে আটক করে মুক্তিপণ আদায় করার জন্য তাদের আত্মীয় স্বজনদের কাছে মোবাইলে ফোন করে। অপহৃতরা হলো, সোনা মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ হাসান (১৪), মোহাম্মদ তাহেরের ছেলে আনিসুর রহমান (১৩) ও আব্দুল আমিনের ছেলে নুর আলম (১৫)। ভিকটিমদের অবৈধভাবে আটকে রেখে তাদের অভিভাবকদের নিকট মোটা অংকের টাকা দাবি করে বলেও জানা যায়।

অন্যদিকে গত ৬ জুলাই-২০২৩ তারিখে, পাচারকারী অপরাধী চক্র একই কায়দায় এফডিএমএন ১৩ নম্বর ক্যাম্পের আশপাশের এলাকা থেকে আরও ৬ জনকে অপহরণ করে। তারা হলেন ১৩ নম্বর ক্যাম্পের ডি ২ ব্লকের ইলিয়াসের ছেলে সৈয়দ নূর (১২) , নূর মোহাম্মদের ছেলে সৈয়দুল মোস্তফা (১১), জমির হোসেনের ছেলে রিমন (১৫), বাংলাদেশী শমসু আলমের ছেলে ওসমান (১৩), মোহাম্মদুল্লাহ এর ছেলে কামাল মোস্তফা (১৪) ও বশির আহম্মদের ছেলে হারেস (১৪)। তাদেরকে উখিয়া ক্যাম্প থেকে অপহরণ করে টেকনাফে নিয়ে যায়।

কক্সবাজার ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক (অ্যাডিশনাল ডিআইজি) মো: আমির জাফর বিপিএম এর নির্দেশনায় সহকারী পুলিশ সুপার মো: ফারুক আহমেদের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক (নি:) মো: রবিউল ইসলাম, এসআই (নি:) সঞ্জয় দত্ত সঙ্গীয় ফোর্স সহ বিভিন্ন উৎস ও স্থান গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল শুক্রবার টেকনাফে অভিযান চালিয়ে অপহৃত সৈয়দ নুর (১২). মো: হাসান ও আনিসুর রহমান সহ ৩ জনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

তিনি আরোও জানান, উখিয়া থানাধীন কুতুপালং এবং টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরি এলাকার বিভিন্ন দুর্গম স্থানে অভিযান চালিয়ে অপহরণ চক্রের ৯ সদস্য নুরুল আমিন (৩২), মো: ফয়সাল (১৮) শফিকুল (১৮) সাইফুল ইসলাম (২২) মিজানুর রহমান (১৮) আব্দুর রহমান (১৭) মোহাম্মদ পারভেজ (১৪) উভয় টেকনাফ, এবং মো: মোবারক (১৭) এফডিএমএন সদস্য মো: আমিন (১৭) কে আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞেসবাদে জানা যায়, চক্রের সদস্যরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন এলাকা হতে সুপারির কাজ এবং অন্য কাজের প্রলোভনে দেখিয়ে টেকনাফ এলাকায় বিশেষ করে দক্ষিণ লম্বরি এলাকায় সুপারি বাগানের ভিতরে নির্জন স্থানে বিশেষ কৌশলে আটক রাখে। পরে ভিকটিমদের চোরা পথে নৌকাযোগে মায়ানমার এর শামিলা এলাকায় প্রেরণ করত। এবং আটক ব্যাক্তিদের পরিবারের নিকট সুকৌশলে বড় অংকের টাকা আদায় করে মুক্তি দেয়। অনেক সময় এই অপরাধ প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাও ঘটে বলে তিনি জানায়।

গ্রেপ্তারকৃতদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ ও বিস্তৃত তদন্তের মাধ্যমে অপহৃত অন্যান্য ভিকটিমদের উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, এ চক্রের সদস্যরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন এলাকা হতে সুপারির কাজ/ অন্য কোন কাজের প্রলোভনে টেকনাফ এলাকায় বিশেষ করে দক্ষিণ লম্বরি এলাকায় সুপারি বাগানের ভিতরে নির্জন স্থানে বিশেষ কৌশলে আটক রাখে। অত:পর ভিকটিমদের চোরা পথে নৌকাযোগে মায়ানমার এর শামিলা এলাকায় প্রেরণ করতঃ আটক রেখে সংশ্লিষ্ট অভিভাবকদের নিকট সুকৌশলে বড় অংকের টাকা আদায় করে মুক্তি দেয়। অনেক সময় এই অপরাধ প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাও ঘটে।

গ্রেপ্তারকৃতদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ ও বিস্তৃত তদন্তের মাধ্যমে অপহৃত অন্যান্য ভিকটিমদের উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: Nagorik It.Com